বক্র কৃমি, কৃমির লক্ষণ ও প্রতিকার

0

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম।   আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। আজ আমি  আপনাদের বলবো যে কৃমি কত রকমের হয়ে থাকে। আর কি কি ক্ষতি করে কৃমি। আমরা আরও জন্য যে – কৃমি কি ক্ষতি করে, গুঁড়া কৃমির চিকিৎসা, সুতা কৃমি, পেটে গুড়া কৃমি, কৃমির লক্ষণ ও প্রতিকার, কৃমির ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, গুড়া কৃমি english, কৃমির ট্যাবলেট এর নাম আরও অনেক কিছু। সম্পূর্ণ জানার জন্য লেখাটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। নিজে তো জানবেনই আর অপরকেও জানাতে সাহায্য করবেন। সবার আগে ঠিক এই নিচের হলুদ রঙের কেখাতার ওপর ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।

কৃমির লক্ষণ ও প্রতিকার, কৃমি দূর করার প্রাকৃতিক উপায় – Stomach Worms Home Remedy

আমরা এখন জেনে নেবো যে বক্র কৃমি ব্যাপারে।

 

বক্র কৃমি  – Hook Worm

বন্ধুরা Hook Worm  এ মুখে হুক বা বড়শির মতো চারটি দাঁত রয়েছে এবং ২-৬ ইঞ্চি লম্বা সবুজাভ-সাদা রং এর হয়ে থাকে। বক্র কৃমির ডিম মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে পরে আর্দ্র ভেজা মাটিতে লার্ভায় পরিণত হয় এবং সংক্রমণ করার উপযুক্ত হয়। মাটিতে বা ঘাসে লেগে থাকা বাচ্চা কৃমি সাধারণত: পায়ের তলার চামড়া ফুটো করে শরীরে প্রবেশ করে এবং ফুসফুসে যায়।ফুসফুস থেকে শ্বাসনালী হয়ে অন্ননালীর ক্ষুদ্রান্ত্রে এসে পূর্ণতা পায় এবং অনবরত ডিম পাড়ে। যারা খালি পায়ে টয়লেটে রাস্তায় মাঠে হাটা চলা করে তাদেও বক্র কৃমি বেশী হতে দেখা যায়। বিশেষত গ্রাম গঞ্জের মাঠেঘাটে মল ত্যাগের প্রবণতা বেশী বলে সেখানেই এ কৃমির সংক্রমণ বেশী।

বক্র কৃমি ক্ষুদ্রান্ত্রে তার হুকের সাহায্যে রক্ত চোষে এবং রক্ত খেয়েই বেঁচে থাকে। একটি বক্র কৃমি প্রতিদিন প্রায় ০.২ মিঃ লি: রক্ত খায়। বক্র কৃমির সংক্রমণের লক্ষণ সাধারণত রক্তক্ষয় দুর্বলতা জনিত রোগ হিসেবে প্রকাশ পায়। বুক ও পেটের ব্যথা, বমি অনেকটা পেপটিক আলসার রোগীর মতো মনে হয়। এছাড়া রক্ত মিশ্রিত কাশি।  প্রায় পাতলা পায়খানা, রক্তশূন্যতা আমিষ স্বল্পতা, এমনকি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি বাধা প্রাপ্ত হতে পারে বিশেষ করে যারা কম খাবার খায়। বক্র কৃমি পায়ের তালুর চামড়া ফুটো করে প্রবেশ করায় পায়ের তালুর ত্বকে ইনফেকশন দেখা দেয় এবং পায়ের তালুতে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি করে।

প্রতিরোধ – Prevention

1. আমরা জেনে নেবো যে এই বক্র কৃমির হাত থেকে বাঁচতে আমাদের কি কি করণীয়।

2. যেহেতু প্রতিরোধ চিকিৎসার তুলনার অধিকতর ভালো তাই প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত।

3. জন্মেও পর ৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো।

4. খাবার তৈরি, পরিবেশন, খাওয়ার পূর্বে এবং মল ত্যাগ করার পরে সাবান বা ছাই দিয়ে হাত ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে ছাই না ব্যবহার করে ভালো।

5. নিয়মিত স্নান করা, পরিষ্কার জামা-কাপড় পড়া এবং বড় হবার আগে অবশ্যই নখ কেটে ফেলা অত্যন্ত আবশ্যিক।

6. শিশুর সুতা কৃমি হলে সুতির জাঙ্গিয়া  পরিয়ে শোয়ানো উচিত যাতে সে মলদ্বার হাত দিয়ে না চুলকাতে পারে।

7. খালি পায়ে মাঠে রাস্তায় বা পায়খানায় না যাওয়া।

8. অসিদ্ধ বা অর্ধ সিদ্ধ মাংস না খাওয়া।

চিকিৎসা 

কৃমির লক্ষণ ও প্রতিকার, কৃমি দূর করার প্রাকৃতিক উপায় – Stomach Worms Home Remedy

শেষ কথা

 শেষ কথা বলতে প্রতিটি লক্ষণের আলাদা আলাদা ঔষধ হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। আপনারা এরকম কোনো রকম সমস্যায় পড়লেই ডাক্তারের সাথে সত্তর যোগজপগ করবেন। আমার মোতে এই রকম রজার বা এই রকম সমস্যায় হোমিওপ্যাথি বেস্ট। এ লক্ষণ সমূহের সাথে কোনটা আপনার রোগের সাথে মিলে তা ডাক্তারকে স্পষ্ট করে জানালে চিকিৎসা পেতে সহজ হবে। ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন। ধন্যবাদ।



Leave A Reply

Your email address will not be published.