বাংলা সিনেমা রচনা – Bangla Cinema Paragraph

ভারতীয় চলচিত্রের স্বর্ণযুগের সূচনা কালের অন্যতম সংগ্রামী সৈনিকদলের মধ্যে যাদের স্থান অগ্রগণ্য বাংলা চলচিত্র। ভারতীয় চলচিত্রে বাংলা চলচিত্রের অবদান অপরিসীম ও অপরিমেয়। যা কখনোই আমরা অবহেলা করতে পারিনা। ভারতীয় আধুনিক চলচিত্রের রূপকার প্রমথেশ বড়ুয়া, যাঁর অবদান অরসিক কার্য। আধুনিক ভারতে বর্ণময় চলচিত্রের সূচনা লগ্নে প্রতিষ্ঠাতা প্রমথেশ বড়ুয়া, বিমল কর, ঋত্বিক ঘটক, অরবিন্দ মুখার্জী, সত্যজিৎ রায়, সত্যেন বোস, চিদানন্দ দাসগুপ্ত,ইত্যাদি প্রমুখদের সহায়তায় বাংলা  চলচিত্রের মাধ্যমে ভারতীয় চলচিত্রের এক উচ্ছমার্গে পৌঁছেছিল। ভারতীয় চলচিত্রের সঙ্গে সঙ্গে আমরা আরও পাই স্বর্ণযুগের সূচনা লগ্নের অমূল্য কিছু বাংলা সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও সংগীত, যা বিশ্ব দরবারে ভারতীয় চলচিত্রের মাধ্যমে আধুনিক নবজাগরণের পৃথিবীতে বাংলা সংস্কৃতি পায় এক নতুন নাম। স্বর্ণ যুগের বাংলা চলচিত্রের মধ্যে আমরা পাই মাটির গন্ধ, আধুনিকতার চাকচিক্য, পাই প্রাণের স্পন্ধন। যা বাংলা চলচিত্রকে ভারতীয় চলচিত্র মাঝে এক নতুন ঠিকানা করে দিতে পেরেছে। এযাবৎ কালীন অন্যতম মহানায়ক আমরা পেয়েছি বাংলা  চলচিত্রের মাধ্যমে। উত্তম কুমার ভারতীয় চলচিত্রের প্রথম মহানায়ক। যার মাধ্যমে আমরা চিনতে পারি বাঙালির ঐকান্ট্রিক বৈশিষ্ট সমূহ। বাঙালি স্বর্ণ যুগের বাংলা চলচিত্রের মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছিলো তার সর্বভারতীয় অস্তিত্ব। যার রুপুকার, ছবি বিশ্বাস, প্রমথেশ বড়ুয়া, মলিনা দেবী, ছায়া দেবী, পদ্মা দেবী, অনুভা গুপ্ত, উত্তম কুমার, ও বহুল প্রচলিত সুচিত্রা সেন ও আরও অনেকে। বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় জুটি আমরা প্রথম পাই উত্তম সুচিত্রা। যা বাঙালিকে ভাবতে শেখায় আধুনিক প্রেমের নতুন সমীকরণ যা সর্বকালীন, ভারত প্রসিদ্ধ,তৎকালীন স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমাতে আমরা দেখতে পাই সমকালীন সমাজ-ব্যাবস্থার এক সুনিপুন চিত্রপট। যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি তৎকালীন আপামর বাঙালির দৈনন্দিন জীবন ঠিক তেমনি বুঝতে পারি সমাজের ওপর তোলার ধোনি বাঙালির জীবন কুশলও আর এখানে তৎকালীন প্রাচীন স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমা আর বৈশিষ্টতা। যা আজ আমাদের মতো অনেক দর্শক কুলকে মুখ্যদা করে রেখেছে। আর একটি অন্যতম বিষয় হলো তৎকালীন বাংলা ছবির সংগীত ও বাদ্য যন্ত্র, যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি স্বর্ণযুগের বাঙালির মনের সংগীত অনুরাগ ও নিষ্ঠা, যা আমাদের ভারতীয় সংস্কিতির আজ বহন করে নিয়ে চলেছে। সেই যুগে বাংলা সিনেমাতে আমরা দেখতে পাই সঠিক চরিত্রের চরিত্রায়ন। মুখ্য চরিত্র থেকে পার্শ চরিত্র সকলেই নিজ নিজ জায়গাতে  সঠিক ভাবে রূপায়নের জন্যে আজ প্রশংসিত। যা বাংলা চলচিত্রকে ভারতীয় তথা বিশ্ব দরবারে এক আলাদা পরিচয় দানের সহায়তা করে, যা সত্যি কুর্নিশ করে আজও আপামর সিনেমা প্রেমী মানুষরা।


ভ্যালেন্টাইন ডে’র মত এমন আধুনিক দিনে বাংলা ছবি! তাও আবার টালিউডের? অনেকেই ভ্রুকুঞ্চিত করতে পারেন। কিন্তু উত্তম সুচিত্রা সামনে থাকলে প্রেম যে এমনিই আসে, সেকথাটিও তো জানাতে হবে নতুন প্রজন্মকে। তাই স্বাদ বদলের জন্য আজ আরও একবার ফিরে দেখতে পারেন সেই স্বর্ণ যুগের বাংলা ছবি। প্রিয় মানুষদের সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি এদিনে বিনোদনটাও চাই নিশ্চই। এ জন্য আজ আপনি কিছু রোমান্টিক সিনেমা দেখে নিতে পারেন। যারা বাংলা সিনেমার দর্শক, তাদের জন্য আজকের এই আয়োজন। টালিউডের স্বর্ণ যুগের কিছুরোমান্টিক  বাংলা সিনেমার সন্ধান দিচ্ছি আজ।আয়োজন। টালিউডের স্বর্ণ যুগের কিছুরোমান্টিক  বাংলা সিনেমার সন্ধান দিচ্ছি আজ।

Bengali Romantic Movie – ভারতীয় বাংলা সিনেমা

 বাংলা সিনেমা (bangla cinema) ওয়ার্ল্ড সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বাংলা সিনেমার ও পরিচালকদের নতুন ও ফ্রেশ ভাবনা ও তা সুনিপুন ভাবে  তোলা বাংলা সিনেমাকে বিশ্বের দরবারে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। সামাজিক ঘটনা, নতুন ভাবনা, রোজকার  সম্পর্ক তার নানান অলি  গলি, সাধারণ মানুষের রোজকার বেঁচে থাকার লড়াই, মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠা মানুষ গুলোর জীবনের স্বপ্ন গুলোকে সত্য করে তোলার লড়াই, নতুন কিছু করার,  রেখে যাওয়ার ইচ্ছে, নতুন কিছু  এই সমস্ত জিনিস নানা ভাবে নানান রঙে উঠে এসেছে বাংলা চলচিত্রের পর্দায় বার বার।  সাধারনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য্য দেখিয়েছেন বাংলার পরিচালক ও কলাকুশলীরা যা সারা পৃথিবীর মানুষকে মোহিত করেছে. সত্যজিৎ, ঋত্বিক, মৃনাল এই তিন মহীরুহ তো আছেনই তার সাথে সাথে তপন সিনহা, তরুণ মজুমদার এর মত বহু পরিচালক  অসাধারন সমস্ত ছবি উপহার দিয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে অপর্ণা সেন, কৌশিক গাঙ্গুলী, সৃজিত মুখার্জী,আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়- নন্দিতা রায়  ইত্যাদি রা আসা যাওয়ার মাঝে, কেয়ার অফ স্যার, বিসর্জন, চতুষ্কোণের মত অসাধারন সমস্ত সিনেমা আমাদের উপহার দিয়েছেন। এই সমস্ত সিনেমা কখনো আমাদের পারিবারিক স্বত্বাকে আমাদের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে কখনো আমাদের বিবেক বুদ্ধির সামনে এনে দাঁড় করিয়েছেন, ও তাকিয়েছে কড়া চোখে। এবং এমন কিছু সংলাপ এখানে আছে যা আমাদের সারা জীবনের মত মনে থেকে গেছে, এবং সেই সিনেমা টিকে এখনো আমরা মনে করি ওই সংলাপের মধ্যে দিয়েই।

শেষ কথা 

বাংলা সিনেমা শুধু আমাদের বাঙালিদের কাছেই অত্যন্ত প্রিয় না, সারা পৃথিবীতে এর অভিনবত্বর জন্য বেশ বিখ্যাত। সত্যজিৎ রায় ভারত বর্ষের একমাত্র পরিচালক যিনি অস্কার পেয়েছেন। এছাড়া মৃনাল সেন ও ঋত্বিক ঘটকের মত পরিচালকদের ছবি গুলো সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে এক একটি উদাহরণ। এখন তৈরী হওয়া সিনেমা গুলির বিষয়বস্তু ও মনন দুই ই অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাসঙ্গিক।আমাদের রোজকার জীবনে প্রেম হোক বা দুঃখ সবকিছুর জন্যেই বাংলা সিনেমায় কিছু না কিছু ডায়লগ আছে যাকে আমরা বলতে পারি bangla love dialog, বা bangla romantic dialogue. আমাদের রোজকার জীবনে ঘটে যাওয়া সাধারণ ঘটনা গুলিও যে কত অসাধারন হতে পারে যদি সঠিক ভাবে ও সঠিক সময়ে লক্ষ্য করা হয় ও ভাবা হয় তা নিয়ে। তাই সেরকম কিছু অসাধারন সিনেমার অসাধারন কিছু ডায়লগ এখানে দিলাম। ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

 

ভারতীয় চলচিত্রের স্বর্ণযুগের সূচনা কালের অন্যতম সংগ্রামী সৈনিকদলের মধ্যে যাদের স্থান অগ্রগণ্য বাংলা চলচিত্র। ভারতীয় চলচিত্রে বাংলা চলচিত্রের অবদান অপরিসীম ও অপরিমেয়। যা কখনোই আমরা অবহেলা করতে পারিনা। ভারতীয় আধুনিক চলচিত্রের রূপকার প্রমথেশ বড়ুয়া, যাঁর অবদান অরসিক কার্য। আধুনিক ভারতে বর্ণময় চলচিত্রের সূচনা লগ্নে প্রতিষ্ঠাতা প্রমথেশ বড়ুয়া, বিমল কর, ঋত্বিক ঘটক, অরবিন্দ মুখার্জী, সত্যজিৎ রায়, সত্যেন বোস, চিদানন্দ দাসগুপ্ত,ইত্যাদি প্রমুখদের সহায়তায় বাংলা  চলচিত্রের মাধ্যমে ভারতীয় চলচিত্রের এক উচ্ছমার্গে পৌঁছেছিল। ভারতীয় চলচিত্রের সঙ্গে সঙ্গে আমরা আরও পাই স্বর্ণযুগের সূচনা লগ্নের অমূল্য কিছু বাংলা সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও সংগীত, যা বিশ্ব দরবারে ভারতীয় চলচিত্রের মাধ্যমে আধুনিক নবজাগরণের পৃথিবীতে বাংলা সংস্কৃতি পায় এক নতুন নাম। স্বর্ণ যুগের বাংলা চলচিত্রের মধ্যে আমরা পাই মাটির গন্ধ, আধুনিকতার চাকচিক্য, পাই প্রাণের স্পন্ধন। যা বাংলা চলচিত্রকে ভারতীয় চলচিত্র মাঝে এক নতুন ঠিকানা করে দিতে পেরেছে। এযাবৎ কালীন অন্যতম মহানায়ক আমরা পেয়েছি বাংলা  চলচিত্রের মাধ্যমে। উত্তম কুমার ভারতীয় চলচিত্রের প্রথম মহানায়ক। যার মাধ্যমে আমরা চিনতে পারি বাঙালির ঐকান্ট্রিক বৈশিষ্ট সমূহ। বাঙালি স্বর্ণ যুগের বাংলা চলচিত্রের মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছিলো তার সর্বভারতীয় অস্তিত্ব। যার রুপুকার, ছবি বিশ্বাস, প্রমথেশ বড়ুয়া, মলিনা দেবী, ছায়া দেবী, পদ্মা দেবী, অনুভা গুপ্ত, উত্তম কুমার, ও বহুল প্রচলিত সুচিত্রা সেন ও আরও অনেকে। বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় জুটি আমরা প্রথম পাই উত্তম সুচিত্রা। যা বাঙালিকে ভাবতে শেখায় আধুনিক প্রেমের নতুন সমীকরণ যা সর্বকালীন, ভারত প্রসিদ্ধ,তৎকালীন স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমাতে আমরা দেখতে পাই সমকালীন সমাজ-ব্যাবস্থার এক সুনিপুন চিত্রপট। যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি তৎকালীন আপামর বাঙালির দৈনন্দিন জীবন ঠিক তেমনি বুঝতে পারি সমাজের ওপর তোলার ধোনি বাঙালির জীবন কুশলও আর এখানে তৎকালীন প্রাচীন স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমা আর বৈশিষ্টতা। যা আজ আমাদের মতো অনেক দর্শক কুলকে মুখ্যদা করে রেখেছে। আর একটি অন্যতম বিষয় হলো তৎকালীন বাংলা ছবির সংগীত ও বাদ্য যন্ত্র, যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি স্বর্ণযুগের বাঙালির মনের সংগীত অনুরাগ ও নিষ্ঠা, যা আমাদের ভারতীয় সংস্কিতির আজ বহন করে নিয়ে চলেছে। সেই যুগে বাংলা সিনেমাতে আমরা দেখতে পাই সঠিক চরিত্রের চরিত্রায়ন। মুখ্য চরিত্র থেকে পার্শ চরিত্র সকলেই নিজ নিজ জায়গাতে  সঠিক ভাবে রূপায়নের জন্যে আজ প্রশংসিত। যা বাংলা চলচিত্রকে ভারতীয় তথা বিশ্ব দরবারে এক আলাদা পরিচয় দানের সহায়তা করে, যা সত্যি কুর্নিশ করে আজও আপামর সিনেমা প্রেমী মানুষরা।

Comments are closed.