মুরগির মাংসের অপকারিতা – Disadvantages Of Chicken Meat Eating

0

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম।   আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আমাদের সকলের প্রিয় চিকেন মানে বাংলায় যাকে বলি মুরগির মাংস। চিকেনের এত্ত আইটেম আছে যা বলে শেষ করা যাবে না। মুরগির মাংস আমরা তো অনেক ভালো খাই কিন্তু আমরা কি জানি যে চিকেন এর কি কি উপকার কিন্তু আমরা কি জানি যে চিকেন বা মুরগির মাংসের কি কি অপকারিতা  আছে। হ্যা বন্ধুরা চিকেন এর অনেক উপকার যেমন আছে তেমন অপকারিতাও আছে। সেটাই আজকে তোমাদের সাথে আলোচনা করবো। আমরা আজকে আরও জন্য যে – মুরগির মাংসের পুষ্টিগুণ, মুরগির মাংসের অপকারিতা, ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার উপকারিতা, ফার্মের মুরগির উপকারিতা, গরুর মাংসের উপকারিতা, ব্রয়লার মুরগির ক্ষতিকর দিক ইত্যাদি ইত্যাদি।  আসুন আজ তাহলে কিছু অপকারিতার কথা বলা যাক।

মুরগির মাংসের অপকারিতা – ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার অপকারিতা

1. বৃদ্ধির জন্য হরমোন আগেকার মুরগিগুলোর থেকে এখন অনেক চর্বিযুক্ত বড় মুরগি দেখতে পাওয়া যায়। এর কারণ হলো, মুরগিকে বড় করতে বেশির ভাগ সময় হরমোন ইনজেকশন দেয়া হয়। মুরগির মাংসের মধ্যে থাকা এসব হরমোন মানব শরীরের ক্ষতি করে।

 

2. অ্যান্টিবায়োটিক দ্রুত বৃদ্ধির জন্য সাধারণত মানব শরীরে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়, সেসব অ্যান্টিবায়োটিক মুরগির শরীরে দেয়া হয়ে থাকে। এসব মুরগির মাংস খাওয়া মানব শরীরে বাজে প্রভাব ফেলে। তাই মুরগি কেনার আগে অবশ্যই পর্যবেক্ষণ করে কিনুন।

3. বিষাক্ত আর্সেনিক মুরগির মাংসের মধ্যে বিষাক্ত আসের্নিক পাওয়া যায়। এটি মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর। হরমোন ও অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারের কারণে মুরগির মাংসে এসব আর্সেনিক পাওয়া যায়।

4. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত কেবল বিভিন্ন ওষুধ বা হরমোন ব্যবহার করাই নয়, গবেষণায় বলা হয়- ৯৭ ভাগ মুরগির বুকের মাংসে ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমিত হয়ে থাকে। বেশির ভাগ মুরগিতে এই ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়।

5. বন্ধুরা আমরা অনেকেই জানিনা তাই আজ তোমাদের এই কথা টা বলে রাখি বা জানিয়ে রাখি যে, বাজার থেকে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনে কখনই বাকি খাবার বা সবজির সঙ্গে সেটি রাখবেন না। শুধু তাই নয়, যে ছুরি দিয়ে মাংসটা কাটবেন তা দিয়ে ওই সময় সবজি কাটবেন না। আর যে প্লেটে কাঁচা মাংসটা রাখবেন তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তবেই অন্য় কাজে লাগাবেন। যেমনটা আগেও বলেছি কাঁচা মাংসে অনেক সময়ই ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই নিয়মটা মানলে সেই জীবাণু বাকি খাবারে ছড়িয়ে যাওরা সুযোগ পায় না। ফলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমে।



Leave A Reply

Your email address will not be published.