ওজন কমানোর টিপস – Effective Tips For Weight Loss

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম। আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আমাদের  চলতে চলতে নিজেদের প্রতি একবারও নজর দেবার সময় থাকে না। ফলে অনেক সমস্যা দেখা যায়। আর তার মধ্যে অন্যতম যেটা হল অসময়ে ওজন বেড়ে যাওয়া । তাই আজকে সম্পূর্ণ আলোচনা হবে যে খুব তাড়াতাড়ি কিভাবে আমরা আমাদের ওজন আমরা নিজেরাই কমাতে পারি যাতে একটু  দেখতে আমাদের ভালো লাগে। আমরা আজ ডেকে নেবো যে – ওজন কমানোর উপায় লেবু, মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়, ওজন কমানোর উপায় ডায়েট চাট, লেবু দিয়ে ওজন কমানোর উপায়, ৭ দিনে ওজন কমানোর উপায়, ওজন কমানোর ঔষধ, ওজন কমানোর খাবার, ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট,  ইত্যাদি ইত্যাদি।

ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। না খেয়ে থাকাসহ বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেন অনেকে। এ পদ্ধতি অবলম্বন করে যদি ওজন কমাতে না পারেন তাহলে আগের পরিকল্পনাগুলো ছেড়ে দিন। নিতে পারেন নতুন কোনো পদ্ধতি। আপনার খাওয়া কমিয়ে দিন। তবে কখনোই না খেয়ে থাকবেন না। আপনি ৩ বেলা খাবারকে ৫ বা ৬ বেলা করে খেতে পারেন। এর ফলে আপনার শরীরও আগের চেয়ে ভালো থাকবে।

অল্প সময়ের মধ্যে ওজন কমাতে চান অনেকে। অল্প সময়ে ওজন কমাতে চাইলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে জীবনযাপনের বেশ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে। মেনে চলতে হবে কঠিন কিছু নিয়ম। তিন দিনে পাঁচ কেজি ওজন কমাতে কার্যকরী ডায়েট পরিকল্পনা করতে হবে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে হবে। ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানো। ওজন কমাতে বেশ কিছু ডায়েট পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমাতে পারবেন। আসুন তবে জেনে নিন রোগা হওয়ার কিছু সহজ উপায়

নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর খাবার খান 

মেটাবলিজ়মের হার বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো রাস্তা হচ্ছে প্রতি দু’ ঘণ্টা অন্তর কিছু খাওয়া৷ খিদে পাওয়ার আগেই খাচ্ছেন বলে অতিরিক্ত খাবার শরীরই নিতে পারবে না ৷
জল খাওয়ার পরিমাণ ও সময় নির্দিষ্ট করুন
খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল খাবেন না৷ অন্তত আধ ঘণ্টা আগে বা পরে জল খান৷ আপনার ওজন 60 কেজি হলে দিনে অন্ততপক্ষে সাড়ে চার লিটার জল খেতে হবে৷ যাঁরা খুব বেশি ঘামেন, তাঁদের আরও একটু বেশি জল খাওয়া প্রয়োজন৷

সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চলুন

ভাত বাদ দিয়ে কিনওয়া বা ওটস খেতে আরম্ভ করলে শরীর প্রাথমিক একটা ধাক্কা খাবে, তার ফলে খানিক ওজন কমবে ঠিকই, কিন্তু এই ডায়েটে সারা জীবন চালানো কঠিন ৷ মাছের কালিয়া মাসে একবার চলতে পারে, রোজের জন্য সবজি দিয়ে হালকা ঝোল রাঁধুন ৷

বাড়িতে কী রান্না হচ্ছে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন

নিজের রান্না নিজে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো, কিন্তু সেটা তো সব সময়ে সম্ভব হয় না, তাই কী রান্না হবে সে সিদ্ধান্তটা অন্তত নিন৷ বাজার থেকে তাজা শাক-সবজি-ফল কিনে আনুন, সেটা ভালো করে ধুয়ে নিন৷ পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেটের জলে স্যালাডের আনাজপত্র ভিজিয়ে রেখে ধোওয়া ভালো৷ খুব বেশি তেলমশলা যেন না থাকে রান্নায়, সেটাও দেখতে হবে৷

জলখাবার বাদ দেবেন না কখনওই

সকালের জলখাবার খান পেট ভরে, দুপুরে নিয়ন্ত্রিত মধ্যাহ্নভোজ, আর রাতে সামান্য ডিনার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়৷ মাঝে খিদে পেলে খাওয়ার জন্য ফল, ছোলা সেদ্ধ, ডিম সেদ্ধ, বাদাম রাখুন হাতের কাছে৷

ভাজাভুজি বাদ দিন খাদ্যতালিকা থেকে

প্যাকেটজাত চিপস, চানাচুর, ঝুরিভাজা যেমন চলবে না, তেমনই লুচি-পরোটা-ব্রেড পকোড়াও নিষিদ্ধ৷
কোনও না কোনও শারীরিক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকুন
যাঁরা আলাদা করে ব্যায়াম করার সময় পান না, তাঁরা বাড়িতেই রোজ এমন কোনও কাজ করুন যাতে কিছু ক্যালোরি খরচ হয়৷ ঘর মোছা-ঝাঁট দেওয়া, ডাস্টিং করা, বাজার করা, সবজি কাটা, মশলা বাটা, রান্না করা ইত্যাদি ইত্যাদি ও যথেষ্ট পরিশ্রমসাধ্য কাজ ৷

রাতারাতি ফলের আশা করবেন না

যে ওজনটা পাঁচ বছর ধরে একটু একটু করে বেড়েছে, সেটা রাতারাতি কমে যাবে, এমন আশা করবেন না ৷ তুরন্ত ফল না পেলে মুষড়ে পড়ারও কারণ নেই ৷ শরীরকে সময় দিন৷

দিনে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক

তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া আর তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যেস রাখলে দেখবেন, দিনটাও অনেক লম্বা লাগছে এবং অনেক বেশি কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন৷

খাবার ধীরে-সুস্থে চিবিয়ে খান

খাবার খাওয়ার সময় মোটেই তাড়াহুড়ো করবেন না, একেবারে ধীর গতিতে চিবিয়ে খান৷ তাতে হজম ভালো হয়, পেট পরিষ্কার থাকে৷

তেল ছাড়া খাবার 

তেল না দিয়ে ( Cooking food without oil ) অথবা সামান্য তেল দিয়ে সবজি, সবজী ভাজী অথবা সবজি সুপ (যতটুকু খেতে পারেন)

শেষ কথা



Comments are closed.