ওটস খাওয়ার উপকারিতা -Oats Benefits In Bengali

0

বন্ধুরা আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম।   আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আজ আমরা জন্য এক দারুন সমস্যার কথা যা আমাদের সকলের কম বেশি হয় এখন সেটা হল – ওটস এর অপকারিতা, বাচ্চাদের ওটস খাওয়ার উপকারিতা, রাতে ওটস খাওয়ার নিয়ম, বাচ্চাদের জন্য ওটস এর উপকারিতা, ওটস এর প্যাকেটের ছবি

ওজন কমাতে ওটস, ওজন কমাতে ওটস খাওয়ার নিয়ম ইত্যাদি ইত্যাদি।

 ওটসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন বিসহ একগুচ্ছ পুষ্টি উপাদান। বিশেষত ওটসে রয়েছে ভিটামিন বি যা শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমে সাহায্য করে। ব্রেকফাস্টে ওটমিল বা কর্নফ্লেক্স, ভীষণ উপকারী আর টি নাট এবং বিভিন্ন রকম মৌসুমি ফল মিশিয়ে খেলে যে সুস্বাদু হবে, তা বলাইবাহুল্য।তাছাড়া ওটসে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, থিয়ামিন, ভিটামিন ইত্যাদি যা অন্যান্য শস্যজাতীয় খাবারের তুলনায় বেশি। কম পরিমাণে ফ্যাট-ওটসে প্রাকৃতিকভাবে ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। তাছাড়াও রয়েছে উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, মানে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট।

কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্যকারী

ওটসে রয়েছে বেটা গ্লুকোন নামক বিশেষ ধরনের ফাইবার যা শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন তিন গ্রাম ওটস খেলে তা প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমানোর সহায়ক।

হার্ট ভালো রাখে

ওটসে রয়েছে বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা শরীরের ভালো কোলেস্টেরল মানে এলডিএলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। মোটের উপর ভালো থাকে হার্ট।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি কমায় ওটস।

ইমিউনিটি বাড়ায়

ওটসের বেটা-গ্লুকোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেমকে বৃদ্ধি করে। শরীরে ব্যাক্টিরিয়া জনিত ইনফেকশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে ওটস।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী

ডায়াবেটিস রোগীরাও তাঁদের খাদ্য তালিকায় শামিল করতে পারেন ওটস। লো ক্যালোরি ও সুগার ফ্রি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীরা অনায়াসেই এটি ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন। তবে খেতে হবে দই বা স্কিমড মিল্কে।

ত্বকের যত্নে ওটস

ওটস ত্বক থেকে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এটি খুব সহজেই ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে পারে। ওটস ত্বকের চিকেন পক্স, ফুসকুড়ি ও সানবার্ন দূর করতেও সাহায্য করে। এ ছাড়াও ত্বক সতেজ ও সজীব রাখতেও ওটস খুবই উপকারি।

হজমে সাহায্যকারী

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ওটস। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ওটস দারুণ উপকারী। কেননা এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাছাড়া লিভারের জন্যও ওটস উপকারী।

ওজন কমাতে সহায়ক

ওটস খাওয়ার পর দীর্ঘসময় পেট ভরা ভাব অনুভূত হয়। ফলে চট করে খিদে পায় না। তাই ব্রেকফাস্টে ফল সহযোগে একবাটি ওটমিল খেয়ে নিলে অনেকক্ষণ খিদে পায় না। ফলে উল্টোপাল্টা ¯স্নাক্স খেয়ে ওজন বাড়ার আর আশঙ্কাও থাকে না।



Leave A Reply

Your email address will not be published.