আদার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম – Benefits Of Ginger In Bengali

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম।   আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। আজ আমি  আপনাদের বলবো যে – খালি পেটে আদা খাওয়ার উপকারিতা. আদা ও মধু খাওয়ার উপকারিতা, আদা ও মধুর উপকারিতা, আদা কিভাবে খেতে হয়, আদা বেশি খেলে কি হয়, আদার রসের উপকারিতা, আদার ক্ষতিকর দিক, আদা খেলে কি ক্ষতি হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা সবার আগে জেনে নেবো যে আসলে কি কি পদ্ধতিতে আদা খাওয়া যেতে পারে।

বন্ধুরা আমরা সবাই জানি যে আদা একটি ভেষজ ঔষধি কিন্তু এটি মশলা হিসাবে পরিচিত। আদার ইংরেজি কথার অর্থ হল জিনজার ( Ginger )।  আদা মূলত চীনে চাষ করা হয়। পড়ে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এটি অনেক দেশে ঔষুধি উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আনেক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখে, আবার কেউ বলে এটি মাথা ব্যথা, ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি, বমি ভাব কমাতে সক্ষম

আদা খাওয়ার কয়েক পদ্ধতি

1. আদায় সামান্য জল দিয়ে থেতলে নিন। আদার রস ও আদা গরম জলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। চা বানানোর জন্যে এই জল ব্যবহার করুন।

2. আদা ছুলে, সামান্য লেবুর রস মেশান। হজমে এই মিশ্রণ খুব ভালো কাজ করে।

3. সারা দিনে ৫০ গ্রাম আদা খেতে পারেন। পাউডারড জিঞ্জার আদা চামচ করে দিনে ৩ বার খেতে পারেন। আদা সরু লম্বা করে চিকন করে কেটে নিন। সামান্য লবণ, গোলমরিচ মেশান।

4. জল ফুটিয়ে নিন। এবারে দুধ, মসলা, আদার রস, চা পাতা দিয়ে আরো একবার ফুটিয়ে নিন। কাপে চিনি দিয়ে পরিবেশন করুন। ওপরে সামান্য এলাচগুঁড়ো ছড়িয়ে দিতে পারেন।

5. হজমে সাহায্য করার জন্যে আদা দিয়ে সিরাপ বানিয়ে নিন। জিরে গুঁড়ো, বিট নুন, আদার রস, লেবুর রস, ঠান্ডা জল একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। তৈরি আদার সিরাপ। দুপুরে বা রাতের খাবারের পরে এই সিরাপ খেতে পারেন।

6. ভিনিগারে আদার টুকরো, লবণ, মরিচ দিয়ে কিছু দিন রাখুন। খাওয়ার সময় আচার হিসেবে খেতে পারেন।

7. বিশেষত শীতকালে আমরা আদার চা পান করতে পছন্দ করি। তবে এটা এখন ১২ মাস চলে। এটি শুধু গরম রাখতে নয় পেটের সমস্যা দূর রাখতে সাহায্য করে। সকালে এক কাপ আদার চা – বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, দুর্বলতা কাটিয়ে তোলে। চা করার সময় ফুটন্ত জলে এক টুকরো ছোট আদার রস সঙ্গে একটু লেবুর রস, একটি নিখুঁত শীতকালীন টনিক। নিয়মিত আদার চা কাশির সিরাপও বলা যেতে পারে।

8.  স্যুপ আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো পাশাপাশি সুস্বাদু খাদ্যের চাহিদাও মেটায়। স্যুপ না হলে রেস্তোরাতে গিয়ে খাবার যেন পূরণ হয় না। গাজর, মিষ্টি আলু সঙ্গে বেশি করে আদা দিয়ে স্যুপ বানিয়ে নিতে পারেন। আর একটু স্পাইসি করার জন্য ক্রিম যোগ করতে পারেন।

9. আদার গুণাগুণ প্রচুর। আদা ঠাণ্ডা লাগা কমানোর পাশাপাশি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, পেশীর ব্যথা কমায়, হৃদ রোগের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে। আমাদের বাঙালীদের মাছ খুব প্রিয়। এটা ছাড়া খাবার সম্পূর্ণ হয় না। তাছাড়া আমরা সবাই একটু স্পাইসি খাবার খেতে পছন্দ করি। তাই আপনাদের জন্য এখানে আদা খাওয়ার নিয়ম এ আদা দিয়ে মাছ রান্না করতে পারেন। আর সত্যি কথা বলতে আমার নিজের রুই মাছ অদা জিরে বাটা দিয়ে জলটাই খুউব পছন্দ যেটা আমার মা করে।

10. সকালে উঠে অনেকেই ওজন কমানোর জন্য এবং দেহ ফিট রাখার জন্য লেবুমধুর জল পান করেন। তার মধ্যে যদি একটু আদা যোগ করে নেন, সেটি স্বাস্থ্যের জন্য দ্বিগুণ উপকারী হয়ে উঠবে। আদায় উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, পেট পরিষ্কার রাখে এবং হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে। জ্বর, সর্দি – কাশি, মাথা ব্যথায় আদা, লেবু ও মধুর জল অনেক উপকারি।

শেষ কথা 

আদা মানব দেহে উপর বিভিন্ন ধরণের প্রভাব ফেলে। এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্লান্তি, ডায়াবেটিস, কাশি, জ্বর, কিডনিতে পাথর, ভাইরাল সংক্রমণ রোগের চিকিৎসার জন্য কার্যকর বলে পরিচিত। আদা খাওয়ার নিয়ম নিবন্ধে নিয়মিত এই পদ্ধতিতে আদা খেলে আপনার লাইফ হয়ে উঠবে সুস্বাস্থ্য। ভালো থাকবেন।



Comments are closed.