নিম পাতার উপকারিতা – Benefits of Neem Leaf

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা আপনারা পরে ভুলে যান। বাকি বন্ধুদের সাহায্যের উদ্দেশে লাইক আর শেয়ারটা  মনে করে করে দেবেন। শুরু করছি আজকের বিষয় –


নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে আমার এই chalokolkata.com এ স্বাগতম।   আশা করি সবাই আপনারা ভালোই আছেন আর  সুস্থ আছেন। আজ আমি  আপনাদের বলবো যে নিম পাতার ঔষধি গুনাগুন। আমরা আরও জানবো যে –  নিম পাতা ও মধুর উপকারিতা, নিম পাতার অপকারিতা কি, নিম পাতার বড়ি, নিম পাতা এলার্জি, খালি পেটে নিম পাতার রস খেলে কি হয়, নিমের ব্যবহার, নিম গাছের ছবি ও ইত্যাদি ইত্যাদি।

বন্ধুরা আমরা বাঙালি হয় আর অবাঙালি হয় না কোনো আমরা সবাই নিঁ পাতা বা নিঁ গাছ ভিচিনি বা জানি আরব আমাদের অনেকের বাড়িতেও নিঁ গাছ আছে। আর তাছাড়া আমরা কম বেশি জানি যে নিঁ এর কাজ ও গুনাগুন।

বন্ধুরা নিম একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ঔষধি গাছ হিসেবে নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে গত ৫ হাজার বছর ধরে। প্রকৃতি কী করে একই সঙ্গে সমস্যা এবং সমাধান ধারণ করে রেখেছে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ নিম। নিমের আছে ১৩০টি ঔষধি গুণ। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের বিস্ময়কর উপকারিতাগুলো।

ডায়াবেটিস রোগ

সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

চোখের সমস্যা দূর করে

কিছু নিম পাতা সেদ্ধ করার পর জলটুকু ছেঁকে পুরোপুরি ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর সেই জল দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। এতে চোখের যেকোনো ধরনের প্রদাহ, ক্লান্তি বা লালচে ভাব দূর হবে।

কৃমিনাশক

শিশুদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে নিম ব্যবহৃত হয়। শিশুরাই বেশি কৃমির শিকার হয়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিনে ৩ বার সামান্য গরম জল  সহ খেতে হবে।

 কান ফোঁড়া সারায়

কিছুসংখ্যক নিমপাতা গুঁড়ো করে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। যেকোনো ধরনের কানফোঁড়া সারাতে এই মিশ্রণের কয়েক ফোঁটাই যথেষ্ট।

ব্রণ তাড়ায়

কিছু নিম পাতা গুঁড়ো করে পেস্ট বানিয়ে ব্রণে লাগিয়ে দিন। যতদিন ব্রণ না শুকোচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এভাবে লাগিয়ে যান। মুখের যেকোনো ধরনের ফুসকুড়ি, ডার্ক স্পট এবং দীর্ঘমেয়াদি ঘা দূর করে নিম।

খোস পাচড়া বা চুলকানি

নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই জল  দিয়ে স্নান করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়। ও নিমপাতা গুঁড়ো করে পেস্ট তৈরি করে তার সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যেকোনো ধরনের খুজলি, একজিমা, রিঙ ওয়ার্ম এবং প্রদাহজনিত ত্বকের রোগ সারানো যায়।

 খুশকি তাড়ায়

পরিমাণ মতো জল  ও নিম পাতা নিয়ে সেদ্ধ করুন। যতক্ষণ না জল টা নীল হচ্ছে। এরপর তা ঠাণ্ডা করে রাখুন। গোসলের সময় চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার পর এই জল  দিয়ে মাথা পরিষ্কার করুন।

দাতের রোগ

নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

উকুন নাশক

উকুন মারতে নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক রেখে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।অন্যান্য ত্বকের সমস্যাও দূর করে



Comments are closed.