বৃশ্চিক রাশি – Scorpio in 2019

আপনি যদি বৃশ্চিক রাশি হন তাহলে আপনি জেনে নিন আপনার ২০১৯ কেমন যাবে। নমস্কার বন্ধুরা আমি শান্তনু আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ভালোবাসা ও স্বাগতম আমার এই পেজ এ। আশা করবো আমার প্রত্যেক লেখা আপনাদের অনেকটাই উপকার করতে সাহায্য করবে ও আশা করবো ভালো লাগবে আপনাদের। ভালো লাগলে আপনারা সবাইকে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা  দেখে নেবো আজকে বৃশ্চিক রাশি ২০১৯ কেমন যাবে। 


বৃশ্চিক রাশি বিস্তারিত – বৃশ্চিক রাশিফল ২০১৯

বৃশ্চিক রাশির উপরে বৃহস্পতি থাকার জন্য ধনভাব শুভ। গত বছরের সঙ্গে যদি আর্থিক অবস্থার তুলনা করা হয়, তা হলে এক কথায় বলা যায় বৃশ্চিক রাশির আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। সঞ্চয়ের পরিমাণও খুব ভাল থাকবে না, কারণ আগের ঋণ শোধ করবার জন্য অর্থ খরচ হবে। উত্তরাধিকার সুত্রে ধন-সম্পত্তি লাভ, লটারি প্রভৃতিতে অর্থাগম, কর্মে পদোন্নতির ও প্রসারতা লাভাদি সুফলের পুর্ণযোগ লক্ষিত হয়। অলসতা, শৈথিল্য প্রভৃতি ত্যাগ করে পুর্ণোদ্যমে কর্মে ব্রতী হলে, সুফলের আশা করাই যায়। বর্তমান বছরটি এ রাশির জাতকের জন্য ধনসঞ্চয়ের বছর বলে গণ্য হয়। কিঞ্চিৎ ব্যয়ের যোগ আছে। আর্থিক অবস্থা শুভ হলেও শরীর নিয়ে ক্লেশ ভোগের আশঙ্কা আছে। রক্ত আমাশা, অজীর্ণ বাত, আঘাত প্রাপ্তির যোগ রয়েছে প্রবল। এ বছর আগুন থেকে খুব সাবধান থাকতে হবে। তা ছাড়া হৃদরোগে ভোগার সম্ভবনাও দেখা যাচ্ছে। তবে এর কোনওটাই খুব বড় আকার ধারন করবে না।

এই রাশির জাতক জাতিকারা চঞ্চল ও একগুঁয়ে মনোভাবের হয়। রাগ জেদ অস্থিরতা অধীর ও পরশ্রীকাতরতা দোষগুলি এ রাশিতে প্রায়ই থাকে। উদারতার প্রকাশ ও চারিত্রিক দৃঢ়তা কম। আত্মপ্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকে। আধ্যাত্মিকতার মধ্যেও এদের ভণ্ডামি থাকে।

স্ত্রীর সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় থাকবে। তবে স্ত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে একটু চিন্তিত থাকতে হতে পারে। বছরের প্রথম তিন মাস সন্তানদের স্বাস্থ্য নিয়েও চিন্তা থাকবে। শরীরের সঙ্গে সঙ্গে লেখাপড়া নিয়েও কিঞ্চিৎ চিন্তা বাসা বাঁধতে পারে, তবে পুরোটাই অল্প সময়ের জন্য। এ বছর পিতা, মাতা, ভাই-বোনদের শরীর ভাল থাকলেও মতের অমিল হতে পারে। বাড়িতে বিবাহ যোগ্য কেউ থাকলে তার এ বছর বিবাহ হওয়ার যোগ আছে। শত্রুর সংখ্যা বন্ধুর তুলনায় কম হবে আশা করা যাচ্ছে। বেশি সংখ্যক বন্ধুর দ্বারা উপকৃত হওয়ার যোগ দেখা যাচ্ছে। শত্রুরা অনিষ্টের চেষ্টায় সফলতা পাবে না। এ বছর প্রেমের যোগ দারুণ ভাবে দেখা যাচ্ছে। ধর্মে অনীহা কাটিয়ে উঠতে পারলে, উন্নতি আরও উচ্চ শিখরে যাবে। ইষ্টমন্ত্র জপ নিয়মিত করা আবশ্যক।

বিদ্যার্থীদের বিদ্যায় আশানুরূপ উন্নতি বা অবনতি কিছু হবে না। ধর্মের প্রতি কোনও টান বা আকর্ষণ কিছু থাকবে না। দূরপাল্লায় ভ্রমণ যোগ নেই তবে কাছাকাছি টুকটাক কোথাও বেড়াতে যাবে। অদীক্ষিতদের দীক্ষার সম্ভাবনা বেশি।

বয়স্কদের স্বাস্থ্যের কারণে হঠাৎ করে এক গাদা অর্থ ব্যয়ের যোগ। নতুন কিছু আসবাব কেনার কারণে খরচ বাড়তে পারে। প্রতিষ্ঠা জীবনে শত্রু দ্বারা ক্ষতির ভয় নেই। কোনও ফালতু বন্ধুর পাল্লায় পড়ে সম্মান হানির সম্ভাবনা। মোটের উপর বছরটা কাটবে একটা না একটা অস্বস্তির মধ্য দিয়ে। বড় ক্ষতির ভয় নেই তবে স্বস্তির অভাবটা থেকে যাবে।

 

অর্থ – অর্থ ব্যপারে এই বছর খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না। ব্যবসার দিকে অর্থ নিয়ে একটু টানাটানি হতে পারে, কিন্তু নিজের বুদ্ধিমত্তায় সেটা মিটিয়ে নিতে সক্ষম হবেন। পাওনা অর্থ আদায়ে একটু দেরি হবার যোগ। বুদ্ধির ভুলে অর্থ নষ্ট।

পরিবার – পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে সারা বছরই আনন্দে দিন কাটবে। স্বামী-স্ত্রীর ভিতর ঝগড়া ও ভালবাসা মিলিয়ে থাকবে। সন্তান ব্যাপারে কোনও চিন্তা বাড়তে পারে।

সম্পর্ক –  সম্পর্ক নিয়ে কোনও প্রকার চিন্তা বাড়তে পারে। প্রেমের জন্য বাড়িতে বিবাদ বৃদ্ধি। নতুন কোনও সম্পর্ক খুব ভাল করে চিন্তা ভাবনা করে ঠিক করুন।

জীবিকা – জীবিকার জন্য বাহিরে যেতে হতে পারে। চাকুরির স্থানে কোনও অশান্তি থেকে একটু দূরে থাকুন। ব্যবসার জন্য সময় মধ্যম প্রকার। বাড়তি কোনও ব্যবসা চিন্তা করে ঠিক করুন।

বৃশ্চিক রাশির ব্যক্তিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য

রাশি চক্রের অষ্টম রাশি বৃশ্চিক। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ মঙ্গল। এই রাশির ব্যক্তি প্রায়ই তেজী, নির্ভীক এবং একগুঁয়ে প্রকৃতির হয়। নিজের মতে চলতে ভালবাসে। মঙ্গল প্রধান লোক প্রায়ই স্বেচ্ছাচারি, প্রভুত্বকামী হয়ে থাকে। মঙ্গল অশুভ হলে অহংকারী, দাঙ্গাবাজ ও গুন্ডা প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা প্রায়ই প্রচুর ভু সম্পত্তি বা বাড়ির মালিক হয়। জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য ন্যায় অন্যায় বিচার করে না। পাইলট, সামরিক অফিসার, সৈনিক, পুলিশ অফিসার, পদস্থ সরকারি কর্মচারী, প্রভৃতি বৃত্তি অবলম্বন করলে জীবনে দ্রুত উন্নতি করবে। অধ্যাবসায়ের দিকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে নিজের ভাগ্য গড়ে তুলতে হবে। হঠাৎ কিছু পাওয়ার আশা করা তার পক্ষে উচিৎ হবে না। এই লোকের স্বাস্থ্য ভাল যায় না। বৃশ্চিক, মীন, বৃষ, কর্কট ও সিংহ রাশির লোকের সঙ্গে মিত্রতা বা বিবাহ হলে হবে।

কি করলে একটু ভালো থাকবেন 

হনুমানজির একটা ফটো সংগ্রহ করে সিংহাসনে রাখুন। দেখে নেবেন বাম হাতে পাহাড় আর ডানহাতে গদা থাকবে। উপোষের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন স্নানের পর দুটো ধূপকাঠি দিয়ে আরতি করে তিনটে জবা দিয়ে তিনবার স্পর্শ প্রণাম করলেই হবে। সারা বছরের অনেক অশান্তি, দুর্ভোগ কেটে যাবে। জল মিষ্টি দিতে পারলে ভালো, না দিলে ক্ষতি নেই। মহিলা পুরুষ সকলেই করতে পারেন।

কি রঙের পোশাক পরবেন 

সাংসারিক মানসিক কর্ম ও প্রতিষ্ঠা জীবনের ক্ষেত্রে হালকা লাল, হালকা হলুদ, হালকা আকাশী ও সাদা রঙের পোশাক কল্যাণকর। আকাশীটা বাদ দিয়ে বাড়ি-ঘরের ক্ষেত্রে ওই রংগুলির যে কোনওটি ব্যবহার করতে পারেন।



Comments are closed.