ই বুক এর ব্যাবহার ও তার সুবিধা

ই বুক কাকে বলে

একটি ইলেক্ট্রনিক বুক (যাকে ই-বুক, ইবুক, ডিজিটাল বুক বা ই-সংস্করনও বলা হয়) হল একটি বই যার প্রকাশনা করা হয়েছে ডিজিটাল আকারে, যাতে সাধারণ বইয়ের মতই লেখা, ছবি, চিত্রলেখ ইত্যাদি রাখা হয়েছে এবং এগুলো কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে পড়া যায়।  যদিও কখনো কখনো বলা হয় ছাপানো বইয়ের ইলেক্ট্রনিক সংস্করন, তবুও অনেক ই-বই আছে যাদের কোন ছাপানো বই নেই। বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা এবং বিক্রিত ই-বই সাধারনত ই-রিডারে পড়ার উপযোগি করে বানানো হয়। যদিও যে কোন যন্ত্রেই (প্রদর্শন সক্ষম) এটি চালানো যায় যেমন কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন ইত্যাদি।


ই-বুকের মাধ্যমে পড়াশোনার আগ্রহ আমেরিকায় বাড়ছে, ২০১৪ সালেই ২৮ ভাগ লোকের ই-বুক রয়েছে যার পরিমাণ ২০১৩ সালে ছিল ২৩ ভাগ। এই বৃদ্ধির কারণ ৫০ ভাগ আমেরিকান ২০১৪ সালের শেষ নাগাদ শুধু মাত্র ই-রিডার বা ট্যাবলেট যন্ত্র ক্রয় করেছে যার পরিমাণ ছিল ৩০ ভাগ ২০১৩ সালের শেষ নাগাদ। 

ইবুক কি? ইবুক কেন ব্যবহার করবেন ?

   ই-বুক মানে (Ebook) একটি ইলেক্ট্রনিক বুক (Electric Ebooks) হল একটি বই যার প্রকাশনা করা হয়েছে ডিজিটাল আকারে (যাকে ই-বুক, ইবুক, ডিজিটাল বুক বা ই-সংস্করনও বলা হয়), যাতে সাধারন বইয়ের মতই লেখা, ছবি, চিত্রলেখ ইত্যাদি রাখা হয়েছে এবং এগুলো কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে পড়া যায়।যদিও কখনো কখনো বলা হয় ছাপানো বইয়ের ইলেক্ট্রনিক সংস্করন, তবুও অনেক ই-বই আছে যাদের কোন ছাপানো বই নেই। বানিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা এবং বিক্রিত ই-বই সাধারনত ই-রিডারে পড়ার উপযোগি করে বানানো হয়। যদিও যে কোন যন্ত্রেই (প্রদর্শন সক্ষম) এটি চালানো যায় যেমন কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন ইত্যাদি।

ই-বুক পাঠের ক্ষতিকর দিক

কম্পিউটার, ট্যাব বা মোবাইলের মাধ্যমে বই পড়ার মাধ্যমে অনেক বই কম প্রকাশ করতে হচ্ছে। বহন করতে হয় না এবং অনেকগুলো বই অল্প জায়গায় রাখার সুবিধা তো আছেই। আডিও ভিডিও প্রেজেন্টেশন শহ অনেক সুবিধা সম্বলিত ইবুক এখন বাজারে আছে। বাংলাদেশের প্রক্ষিতে সব বইয়ের অনলাইন সংস্করণ তো বের হয়েছেই।

কিন্তু ই-বুকের রয়েছে চোখের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর দিক। এই ক্ষতির পরিমান ডিসপ্লের ধরনের উপর নির্ভর করে। আর ব্যবহারকারী কতসময় একটানা ইবুক পড়ছে সেটার উপরও। ই-বুক ব্যবহারের সুবিধা

একটানা কম্পিউটার ডকুমেন্ট, ই-মেইল বা ভিডিও দেখার ক্ষেত্রেও চোখের ক্ষতির কারন হতে পারে। চোখ ব্যাথা, মাথা ব্যাথা বা ঝাপসা দেখার অনেক রুগিই কম্পিউটারের দিকেএকটানা তাকিয়ে থাকার কারনে হয়েছে।

ইবুক স্ক্রিনের ক্ষুদ্রতম ডিসপ্লে ইউনিট হলো পিক্সেল। সিএসভি বা পিডিএফ ইবুকের লেখাগুলো পিক্সেলেরই সমন্বয়। এগুলো চোখে জন্য দেখা একটু কঠিন হয়।এজন্য বেশি পিক্সেলের ডিসপ্লে তুলনামূলক ভাল। বেশি পিক্সেল এবং রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে কম ক্ষতিকর।

(প্রতি সেকেন্ডে যতবার ডিসপ্লে বন্ধ ও চালু হয় তাকে রিফ্রেশ রেট বলে। আমাদের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ১০ টির বেশি ছবি সঠিক ভাবে ট্র্যাক করতে পারে না। তাই আমরা এই বন্ধ ও চালু হওয়া ট্র্যাক করতে পারি না।)

সাধারণ বই পড়া

একটানা কাগজে ছাপানো সাধান বই পড়লেও চোখের ক্ষতি হতে পারে। বই পড়ার ক্ষেত্রে একেবারে কম আলো থাকলেও ক্ষতির কারন হতে পারে। প্রতি দশ মিনিট পর পর পড়ার বাইরে কিছুর দিকে তাকালে চোখের উপর চাপ করমে পারে। তবে সাধারন কাগজের বইয়ে প্রতিফরিত আলো এসে পরে, তাই ক্ষতির পরিমান কম।

ই-বুক

ইবুক স্ক্রিনের ক্ষুদ্রতম ডিসপ্লে ইউনিট হলো পিক্সেল। সিএসভি বা পিডিএফ ইবুকের লেখাগুলো পিক্সেলেরই সমন্বয়। এগুলো চোখে জন্য দেখা একটু কঠিন হয়।এজন্য বেশি পিক্সেলের ডিসপ্লে তুলনামূলক ভাল। বেশি পিক্সেল এবং রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে কম ক্ষতিকর।

(প্রতি সেকেন্ডে যতবার ডিসপ্লে বন্ধ ও চালু হয় তাকে রিফ্রেশ রেট বলে। আমাদের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ১০ টির বেশি ছবি সঠিক ভাবে ট্র্যাক করতে পারে না। তাই আমরা এই বন্ধ ও চালু হওয়া ট্র্যাক করতে পারি না।)

প্রতিকার

চোখের ক্ষতি কমাতে ১০-১০-১০ সূত্র অনুসরণ করা যেতে পারে। কমপক্ষে ১০ মিনিট পর ১০ ফিট দূরের কোন বস্তুর দিকে ১০ সেকেন্ডের বেশি সময় তাকানো। তুলনামূলক বড় ফন্টকরে পড়লে চোখের উপর চাপ কমতে পারে। ডিসপ্লের জন্য লাইট কমিয়ে বাড়িয়ে নিজের সুবিধামতো করে নেওয়া উচিৎ। এটা চোখের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিণে তাকালেই চোখ ব্যাথা করে এমন রোগিদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরমর্শ নিতে হবে।



Comments are closed.