বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও পরিকল্পনা, কবিতা, ও রচনা

বন্ধুরা কেমন  আছো তোমরা, আশা করি তোমরা সবাই ভালোই আছো। বন্ধুরা আমরা অনেকেই জানি যে আমাদের দেশে কোথাও না কোথাও একটু কন্যা সন্তানেৱ জন্মানোর পর সেই সদ্যোজাত কন্যার সন্তানের পরিবারের মানুষিক অবস্থা ঠিক থাকে না অর্থাৎ তারা অনেকটাই ভেঙে পরে নানান বিষয় এর কথা ভেবে বা চিন্তা করে। যদিও ব্যাপারটা সম্পূর্ণ বেআইনি বা একটা লজ্জার ব্যাপার। বর্তমান সমাজে দেশের অনেকাংশে এমন আছে যে মেয়ে সন্তান জন্মানোর পর হয়তো তাকে ফেলে দেওয়া হয় বা সেই বৌকে তার মেয়ে সন্তানের সাথে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় আরও অনেক কিছু হয় সেটা আমরা অনেকেই জানি। আর তাছাড়া এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে মেয়েদের তাদের প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়াতো দূরের কথা ঠিক মতন তারা নিজেকে সামলাতেই জানে না সেই সময় তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়, যদিও অতীতের থেকে বর্তমানে কিছুটা কম হলেও  সম্পূর্ণ রূপে নির্মূল এখনো হয়নি ব্যাপারটা থেকেই গেছে। যেই সময় তাদের একমাত্র পড়াশোনা আর খেলাধুলা করার সময়। এই সব কিছুর কথা ভেবে আমাদের আমাদের ভারত সকার একটি পরিকল্পনা ভেবেছে যার জন্য আমরা এই পরিকল্পনা কে আর সরকার কে কুর্নিশ জানাই। আসুন, কন্যাসন্তানের জন্মকে আমরা স্বাগত জানাই। পুত্র-সন্তানের পাশাপাশি কন্যাসন্তানদের জন্যও আমাদের সমান গর্বিত হওয়া উচিত। কন্যাসন্তানের জন্মকে স্মরণীয় করে রাখতে পাঁচটি গাছের চারা রোপণ করুন – এই আবেদন জানাই আপনাদের কাছে। জয়াপুর গ্রামের নাগরিকদের উদ্দেশে একথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ঐ গ্রামটি তিনি বেছে নিয়েছিলেন আদর্শ গ্রাম রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচির সূচনা ২২ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে হরিয়ানার পানিপথে।এর সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। কন্যাসন্তানের জন্মহার ক্রমশ হ্রাস পাওয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলির কার্যকর মোকাবিলায় এই কর্মসূচিটির কথা চিন্তাভাবনা করা হয়। একইসঙ্গে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে যুক্ত করা হয় এই কর্মসূচির বিশেষ ধারণাটির সঙ্গে। কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক এবং মানবসম্পদ মন্ত্রকের পারস্পরিক প্রচেষ্টার সমন্বয়ে রূপায়িত হচ্ছে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচিটি।

পিসি অ্যান্ড পিএনডিটি আইন বলবৎ করা এবং সারা দেশে কন্যাসন্তানের বিকাশ সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারের লক্ষ্যে কর্মসূচিটির প্রথম পর্যায়ে বেছে নেওয়া হয় ১০০টি গ্রামকে। প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার প্রসার সহ জনমানসে কন্যাসন্তান সম্পর্কে চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয় এই কর্মসূচি রূপায়ণের সময়।

কন্যাসন্তানের জন্ম সম্পর্কে বহুকাল ধরে চলে আসা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিশেষভাবে সচেষ্ট রয়েছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে হরিয়ানার বিবিপুর গ্রামের প্রধানের ভূমিকার বিশেষ প্রশংসা করেন। কারণ, কন্যাসন্তানের সঙ্গে একটি সেলফি অর্থাৎ, নিজস্বী তোলার জন্য বিশেষ আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন ঐ গ্রাম প্রধান। এই ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, কন্যাসন্তানের সঙ্গে একত্রে সেলফি তোলার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। বলা বাহুল্য, তাঁর এই আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু সংখ্যক মানুষ এগিয়ে এসেছিলেন কন্যাসন্তানের সঙ্গে সেলফি তোলার কাজে। শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন এই ধরনের কাজে সামিল হতে। নিঃসন্দেহে তা ছিল এক গৌরবজনক ঘটনা।

‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচিটির সূচনার পর থেকে দেশের প্রায় সবক’টি রাজ্যেই জেলা পর্যায়ে বহুক্ষেত্রীয় কার্যপরিকল্পনা গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মী,বিশেষত সামনের সারিতে থেকে যাঁরা কাজকর্ম দেখাশোনা করেন তাঁদের দক্ষতাবৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে বেশ কিছু ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ২০১৫-র এপ্রিল থেকে অক্টোবর – এই সাত মাসে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য আয়োজন করা হয় ন’টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির।

এই প্রকল্পটি কেন?

২০১১ সালের সর্বশেষ আদমশুমারিতে, শূন্য থেকে ৬ বছর বয়সের মধ্যে শিশু লিঙ্গ অনুপাতের হারে একটি নিম্নগামী গতি প্রকাশিত হয়ে উঠে এসেছে। প্রকাশিত চিত্রে, প্রতি ১০০০ জন ছেলের অনুপাতে মেয়েদের সংখ্যা ক্রমশ নিম্নগামী হয়ে ৯১৯-এ নেমে এসেছে, ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী এই সংখ্যা – ৯২৭ ছিল।

বর্তমানে অত্যাধুনিক ডায়াগনোস্টিক সরঞ্জামের পর্যাপ্ত উপলব্ধতার দরুণ অজাত শিশুর লিঙ্গ নিরুপণ সহ কন্যা-ভ্রুণ পরিত্যাগের জন্য গর্ভপাত পদ্ধতি, এটিকে আরও প্রসারণশীল করে তুলেছে। সামাজিক পক্ষপাতিত্ব বা গোঁড়ামির দরুণ অর্থনৈতিক সুবিধার বিবেচনাক্রমে পুত্র সন্তানের পক্ষপাতিত্ব এবং তার চেয়েও বেশি কন্যা সন্তানের সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর এক গভীর মনোভাবাপন্নতা, দেশের পুরুষ ও স্ত্রীর অনুপাতের হারকে তির্যক রূপ দিয়েছে।

কন্যা শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষাগত চাহিদার সমস্যার তারতম্যতার বিভিন্ন গঠনের দরুণ এই বর্জন প্রক্রিয়া এমনকি জন্মের পরও চলতে থাকে।

তাছাড়াও, এটি যথার্থরূপে বর্ণিত রয়েছে যে, মহিলাদের অক্ষমতায়ন এমনকি তাদের জন্মের আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। আনুষঙ্গিক রূপে, তথ্য এই যে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সার্বিক নেতৃত্ব দেয় এবং সমাজের অবৈজ্ঞানিক চর্চা ও বিশ্বাসের অনগ্রসরতা থেকে মুক্তি দেয়। এবং বাড়ির দিকে ধেয়ে আসা কুসংস্কার আচ্ছন্ন বিশ্বাস ও চর্চার গ্রামীণ লোকভাবনার সীমাবদ্ধতায়, নতুন মিডিয়া যোগাযোগের পদ্ধতিগুলিকে সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করা প্রয়োজন। “বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও” অভিযান এই বিষয়টিকে বাস্তবে রূপায়িত করা এবং পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা নিয়ে আসার লক্ষ্যেই চালু করা হয়েছে।

প্রধান লক্ষ্য‌

এই প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্য‌ হল কন্য‌াসন্তানের জন্ম উদযাপন করা এবং তার শিক্ষার ব্য‌বস্থা করা।

জেলা চিহ্নিতকরণ

২০১১ সালের সেনসাস রিপোর্ট অনুযায়ী সিএসআরের হিসাবে দেশের সমস্ত রাজ্য‌ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্য‌ে থেকে ১০০টি জেলা বেছে নিয়ে এই প্রকল্প চালানো হচ্ছে। প্রতিটি রাজ্য‌ থেকে অন্তত একটি জেলাকে প্রকল্প রূপায়ণের জন্য‌ বাছা হয়েছে। এই বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছ সেগুলি হল।

  • যে জেলাগুলিতে জাতীয় গড়ের চেয়ে সিএসআর কম (৮৭টি জেলা/২৩টি রাজ্য‌)
  • জাতীয় গড়ের চেয়ে সিএসআর বেশি এমন জেলা কিন্তু যেখানে এই অনুপাত ক্রমশ কমছে (৮টি রাজ্য‌/৮টি জেলা)
  • যে জেলাগুলিতে সিএসআর জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি এবং এই অনুপাত ক্রমশ বাড়ছে(৫টি জেলা/৫টি রাজ্য‌)। এই জেলাগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে তার কারণ যাতে এই রাজ্য‌ে সিএসআর বৃদ্ধির হারকে ধরে রাখা সম্ভব হয় এবং অন্য‌ান্য‌ জেলাগুলি এই সাফল্য‌ের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।

একবার ভালো করে দেখে নিন আপনার জেলায় আছে কিনা আমাদের ভারত সকারের এই অসাধারণ পরিকল্পনা তে

বাছাই করা ১০০টি জেলা

নিকোবরস (আন্দামান ও নিকোবর), ওয়াইএসআর (অন্ধ্রপ্রদেশ), দিবাং ভ্যালি (অরুণাচল), কামরূপ মেট্রোপলিটন (অসম), বৈশালী (বিহার), চণ্ডীগড় (চণ্ডীগড়), রায়গড় (ছত্তিসগড়), দাদরা ও নগর হাভেলি (দাদরা ও নগর হাভেলি), দমন (দমন ও দিউ), নর্থ গোয়া (গোয়া), সুরাত, মহেসনা, আমদাবাদ, গান্ধীনগর ও রাজকোট (গুজরাত), মহেন্দ্রগড়, ঝঝর, রেওয়ারি, সোনিপত, আম্বালা, কুরুক্ষেত্র, রোহতক, করনাল, যমুনানগর, কইথল, ভিওয়ানি ও পানিপথ (হরিয়ানা), উনা (হিমাচল প্রদেশ), জম্মু, পুলওয়ামা, কাঠুয়া, বদগাম ও অনন্তনাগ (জম্মু ও কাশ্মীর), ধানবাদ (ঝাড়খণ্ড), বিজাপুর (কর্ণাটক), ত্রিসুর (কেরল), লাক্ষাদ্বীপ (লাক্ষাদ্বীপ), মোরেনা, গ্বালিয়র, ভিন্দ ও দাতিয়া (মধ্যপ্রদেশ), বিড়, জলগাঁও, আহমদনগর, বুলদানা, আউরঙ্গাবাদ, ওয়াশিম, কোলাপুর, ওসমানাবাদ, সাংলি ও জালনা (মহারাষ্ট্র), সেনাপতি (মণিপুর), রিভয় (মেঘালয়), সইহা (মিজোরাম), লংলেং (নাগাল্যান্ড), সাউথ ওয়েস্ট, নর্থ ওয়েস্ট, ইস্ট, ওয়েস্ট ও নর্থ (দিল্লি এনসিটি), নয়াগড় (ওড়িশা), ইয়ানাম (পুদুচেরি), তরনতারন, গুরদাসপুর, অমৃতসর, মুক্তসর, মানসা, পাটিয়ালা, সাংরুর, সাহিবজাদা অজিত সিং নগর, ফতেগড় সাহিব, বারনালা ও ফিরোজপুর (পঞ্জাব), ঝুনঝুনুন, শিকার, করৌলি, গঙ্গানগর, ধৌলপুর, জয়পুর, দৌসা, আলোয়ার, ভরতপুর ও সোয়াই মাধোপুর (রাজস্থান), নর্থ ডিসট্রিক্ট (সিকিম), কুডডালোর (তামিলনাড়ু), হায়দরাবাদ (তেলঙ্গানা), সাউথ ত্রিপুরা (ত্রিপুরা), বাগপত, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, মেরঠ, বুলন্দশহর, আগ্রা, মুজফফরনগর, মহামায়া নগর, ঝাঁসি ও মথুরা (উত্তরপ্রদেশ), পিথোরাগড় ও চম্পাবত (উত্তরাখণ্ড) এবং কলকাতা (পশ্চিমবঙ্গ)।

উদ্দেশ্য‌

  • বৈষম্য‌মূলক লিঙ্গ নির্ণায়ক পদ্ধতি প্রতিরোধ করা।
  • কন্য‌াসন্তানের বেঁচে থাকা ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা।
  • কন্য‌াসন্তানের লেখাপড়া সুনিশ্চিত করা।

কৌশল

  • কন্য‌াসন্তানের মূল্য‌ও যে সমান সেই ধারণা সৃষ্টি করতে এবং তার লেখাপড়ার ব্য‌বস্থা করতে স্থায়ী ভাবে সামাজিক সঙ্ঘবদ্ধতা ও যোগাযোগ অভিযান চালানো
  • সিএসআর/এসআরবি-র নিম্নগামিতার বিষয়টি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা, এই দুই অনুপাতের উন্নতি হলে তা সুশাসনের সূচক হবে
  • নিবিড় ও সুসংহত কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে লিঙ্গ বৈষম্য‌ের দিক দিয়ে খারাপ জায়গায় রয়েছে এমন শহর ও জেলাগুলিকে নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে আনা
  • পঞ্চায়েত রাজ প্রতিষ্ঠান/শহরের স্থানীয় প্রশাসন/তৃণমূল স্তরের কর্মীদের জড়ো করা ও তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্য‌বস্থা করা কেননা তাঁরাই স্থানীয় গোষ্ঠী/মহিলা/যুব সংগঠনের সঙ্গে মিলিত ভাবে সামাজিক পরিবর্তনে অনুঘটকের কাজ করবেন
  • লিঙ্গ-ভিত্তিক অধিকার ও শিশুদের অধিকারের ব্য‌াপারে উপযুক্ত পরিষেবা প্রদায়ক কাঠামো/প্রকল্প/কর্মসূচি সুনিশ্চিত করা।
  • জেলা/ব্লক/তৃণমূল স্তরে অন্তর্বিভাগীয় ও অন্তর্প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সুনিশ্চিত করা।

শেষ কথা 

কন্য‌াসন্তানদের পড়াশোনার অধিকার সুনিশ্চিত করা ও তাদের জন্ম উদযাপন করার ব্য‌াপারে দেশজুড়ে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্য‌ে যে দিন থেকে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, সে দিন থেকেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রচারের লক্ষ্য‌ হল কন্য‌াশিশুদের জন্ম, প্রতিপালন ও বৈষম্যবিহীন শিক্ষা সুনিশ্চিত যাতে তারা সমান অধিকার-সহ সশক্ত নাগরিক হয়ে উঠতে পাড়ে। এই প্রকল্পের দ্রুত ফল পাওয়ার লক্ষ্যে সশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একত্র করে এই অভিযান চিহ্নিত ১০০টি জেলায় গোষ্ঠী স্তরের কার্যক্রমের সঙ্গে জাতীয়, রাজ্য‌ ও জেলা স্তরের কার্যক্রমের সংযোগ সাধন করবে। আসুন আমরা সবাই মাইল এক এক করে কোননা সন্তানদের আগলে রাখার চেষ্টা করি আর সেই সব মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ায় যারা কন্যা সন্তানদের ঘৃণা করে ও ঠিক মতন দেখা শোনা করে না। ধন্যবাদ জানাই আমাদের বর্তমান ভারত সরকার কে। ধন্যবাদ জানাই সেই সকল মানুষ গণকে যারা তাদের মেয়েদের জন্য বা কন্যা সন্তানদের জন্য আমাদের এই বিশেষ পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বুঝতে শিখেছে জানতে চাইছে ও পরিকল্পনা টি বহনও করেছে বা করছে। আপনারা সংবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।



Comments are closed.