হরলিক্স খাওয়ার নিয়ম – Rules for Drinking Horlicks

হরলিক্স এর নাম শোনেনি বা কেউ জানে না এমন কেউ হয়তো নেই। এই হরলিক্স নিয়েই কিন্তু বাংলা চলচিত্রের এক  ছায়াছবির বিখ্যাত সংলাপ ছিল “মা একটু হরলিক্স দাও না চেটে চেটে খাবো”, আর এই হরলিক্স কিন্তু  কিন্তু আজও ততটাই জনপ্রিয় সবার কাছে যতটা আগে ছিল। আর ভবিষ্যতেও থাকবে। হরলিক্স  বিশেষ করে বাচ্চাদের এতটাই জনপ্রিয় যে তার লোভ দেখিয়ে আপনি যে কোনো কাজ করিয়ে নিতে পারেন। হরলিকস উচ্চ পুষ্টিমান সমৃদ্ধ একটি পানীয় । এতে রয়েছে সবধরণের ভিটামিন , খনিজ লবণ , প্রোটিন , বায়োটিন , রিভোফ্লাবিন , ক্যালসিয়াম সহ অসংখ্য প্রয়োজনীয় উপাদান । প্রতিদিন ১-২ গ্লাস হরলিকস গ্রহণে আপনার জীবনে ফিরে আসবে চঞ্চলতা । এছাড়া এটি আপনার হাড়ের ক্ষয় রোধ করবে এবং শক্তি ও সামর্থ্যবান করে তুলবে ।

প্রত্যেক দম্পতির মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু তাদের সন্তান। তাদের অফুরান আশা-আকাঙ্ক্ষা-স্বপ্ন তাকে ঘিরে। আজকাল মা-বাবারা বিশেষত মায়েরা প্রায়ই জানাচ্ছেন, তার সন্তান ঠিকমতো খাচ্ছে না বা খেতে চাইছে না। উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত খাদ্য শিশুর জীবনে বুদ্ধি ও বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় শিশুর মস্তিষ্ক, হাড়, মাংসপেশি, হৃৎপিণ্ড ও কিডনি ইত্যাদি অঙ্গ দ্রুত বাড়ে ও পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। শিশুর খাবারকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত শর্করা ও চর্বি, দ্বিতীয়ত আমিষ, তৃতীয়ত ভিটামিন ও খনিজ দ্রব্য। অর্থাৎ চাল, ডাল, গম ইত্যাদি। এ থেকে আমরা শক্তি পাই। চর্বি অর্থাৎ তেলজাতীয় খাবারের (উঁচুমানের) দ্বারা আমাদের স্নায়ু কোষ (নিউরন) তৈরি হয়।

আমিষ আমাদের মাংসপেশি, হরমোন, এনজাইম, রক্তের হিমোগ্লোবিন ইত্যাদি তৈরিতে অংশ নেয়। আমিষের অভাবে অপুষ্টিজনিত  অসুখ হতে পারে। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ আবার দু’ধরনের জলে দ্রবণীয় ও চর্বিতে দ্রবণীয়। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হল ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-ডি। ভিটামিন-এ’র অভাবে আমাদের দেশে এখনও অনেক শিশু রাতকানা রোগে ভুগছে। কেউ কেউ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভিটামিন-ডি’র অভাবে অস্থি গঠনে সমস্যা হয় এবং রিকেট নামক অসুখ দেখা দেয়। অন্যদিকে জলে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো যেমন- ভিটামিন-বি (বি কমপ্লেক্স) ও ভিটামিন-সি’র অভাবে শিশুর রক্তশূন্যতাসহ নানা ধরনের স্নায়বিক রোগ হতে পারে। শিশুর সঠিক গঠন ও পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য প্রতিটি শিশুকে জন্মের পর প্রথম ৬ মাসের পর শক্ত খাবার দিতে হবে। প্রথম ৫ মাস মাতৃদুগ্ধই যথেষ্ট। কিন্তু ৬ মাসের খাবারের মধ্যে প্রচুর ক্যালরিযুক্ত খাবার থাকতে হবে। শিশুর বয়স এক বছর হলে তাকে দিতে হবে স্বাভাবিক খাবার অর্থাৎ বাড়ির আর পাঁচজন যা খাচ্ছে একই খাবার শিশুরাও খাবে। শতকরা ৯০ জন মা ডাক্তারের কাছে অভিযোগ করেন, আমার বাচ্চা কিছুই খেতে চায় না বা খাচ্ছে না। এ ব্যাপারে প্রত্যেক বাবা-মাকে বুঝতে হবে, শিশুর জিভের ‘টেস্ট বাড’ বড়দের মতোই পরিপূর্ণ। তাকে প্রতিদিন একঘেয়ে খাবার দিলে সে খেতে চাবে না। যদি দুধের সঙ্গে শর্করাজাতীয় খাবার খাওয়াতে চান তবে প্রথম দিন চালের পায়েস, পরের দিন সেমাইয়ের পায়েস, আর একদিন সয়াবিন বা অন্যদিন কালিয়া দিয়ে, এভাবে স্বাদ পাল্টে খাওয়াতে হবে। সারা দিন বাচ্চাকে অন্তত ছ’বার খাওয়াতে হবে। সকালের নাসতা, দুপুরের খাবার, রাতের খাবার ছাড়াও সকালে ও বিকালে অল্প পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। বিদ্যালয়গামী শিশুদের জন্য টিফিনের খাবার একটু ভারি হওয়া বাঞ্ছনীয়।

বাচ্চার না খাওয়ার ব্যাপারে একটি কথা বলে রাখা দরকার, বাচ্চা খেতে না চাইলে তার মুখের ভেতর কোনো ঘা আছে কিনা তা খুঁজে দেখতে হবে। অথবা সর্দিতে নাক বন্ধ রয়েছে কিনা তাও দেখতে হবে। উপযুক্ত খাবারের সঙ্গে বুদ্ধি সহায়ক উপাদান লাগতে পারে কারও কারও। ডাক্তাররা বাচ্চার ওজন, উচ্চতা, বয়স হিসাব করে তা বের করেন। জন্মের সময় যে বাচ্চার ওজন ছিল ৩ কেজি, ৬ মাসে তা দ্বিগুণ ও ১ বছরে ৩ গুণ হওয়ার কথা। এর ব্যতিক্রম হলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে। আর এটাও ঠিক, আজকালকার বাবা-মায়েরা সচেতন হতে গিয়ে একটু ভুল করে ফেলছেন। তার বাচ্চাটিকে তার বয়স ও উচ্চতার তুলনার বেশি ওজন অর্জন করে ফেলেছে। আমরা এমন অনেক শিশুকে পাই যার বর্তমান ওজন তার কাক্সিক্ষত ওজনের চেয়ে বেশি। এরপরও তার মা হয়তো অভিযোগ করছেন, তার বাচ্চাটি না খেয়ে খেয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। নাদুসনুদুস নয়, আমাদের চাওয়া হবে সুস্থ-সবল ও সঠিক হারে বাড়ন্ত শিশু। শিশুর সঠিক বুদ্ধির জন্য শুধু খাওয়া-দাওয়া দিলেই চলবে না; তাকে দিতে হবে পারিপার্শ্বিক উষ্ণতা, মানসিক বন্ধন যা কর্মরত মায়েরা অনেক সময়ই হয়তো দিতে পারেন না। কোনো কোনো মা তার সময় হিসাব করে শিশুকে খাওয়াতে চান। শিশুটি হয়তো সে হিসাব পছন্দ করছে না। ভাঙা পরিবার, পারিবারিক অশান্তি, বাবা-মার সম্পর্কের প্রতিক্রিয়া শিশুর বুদ্ধির ওপর প্রতিফলিত হয়। তা ছাড়া মানসিক পীড়ন বর্তমান যান্ত্রিক যুগে বাচ্চার বাড়ার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপযুক্ত ক্যালরি, আমিষ ও পারিবারিক বন্ধন দিয়ে যদি দেখা যায় শিশুর বৃদ্ধি আশানুরূপ হচ্ছে না, তবে বাচ্চার হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, থাইরয়েড বা যকৃতে কোনো সমস্যা থাকতে পারে। ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অপুষ্টিই শিশুর বৃদ্ধি না হওয়ার প্রধান কারণ। একটি কথা মনে রাখা দরকার, শিশুর পুষ্টি বেশিরভাগই নির্ভর করবে গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টির ওপর। গর্ভাবস্থায় মা যদি অপুষ্টিতে ভোগেন, তবে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধির স্থায়ী ক্ষতি সাধিত হবে অর্থাৎ পরে শিশুর পুষ্টির ব্যাপারে যতই নজর দেয়া হোক না কেন, তার খুব একটা উন্নতি হবে না। কেননা শিশুটির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি হওয়ার মাপজোখ মায়ের পেটেই তৈরি হয়ে যায়। সব বাবা-মাকে তার শিশুর পুষ্টির ওপর সচেতন ও সঠিকভাবে নজর রাখতে হবে যাতে সমাজ একটি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সবল শিশু পায়। এ জন্য পরিবারের সব সদস্যের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি।

শিশুকে খাওয়ানোর নিয়ম

প্রতিটা শিশুই আলাদা আর তাদের খাবারের চাহিদাও ভিন্ন। এমনকি এ কথাও বলা হয়ে থাকে, দিনভেদে একই শিশুর খাবারের প্রতি চাহিদা বা আগ্রহের রকমফের ঘটে। শিশু একটু বড় হওয়ার পর নিজে নিজেই খেতে চায়, আবার অনেক শিশুর খাবারের প্রতি থাকে অনীহা। সব মিলিয়ে শিশুর খাওয়া নিয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয় মাকেই। আপনার ছোট সোনামণি যখন আগ্রহ করে পেটপুরে খায় তখন কতই ভালো লাগে আপনার! কিন্তু যখন খেতে চায় না, তখন? ভীষণ বিচলিত হন আপনি। ধমকে ধমকে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, রাক্ষসের গল্প শুনিয়ে হলেও খাবার খায়াতে থাকেন। আবার অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। আসলে শিশুদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে আমরা অধিকাংশই কিছু ভুল পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকি। যেমন- অনেককেই দেখা যায় পাঁচ মাসের কম বয়সী শিশুদের চামচে করে বা ফিডারে করে পানি খাওয়াতে চেষ্টা করে। এটি একটি অপ্রয়োজনীয় কসরত। পাঁচ মাস বয়সে শিশুর মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। এর বাইরে এক ফোঁটা পানিরও প্রয়োজন নেই। বরং এ সময় শিশুদের পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করলে শ্বাসনালিতে পানি ঢুকে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ মা-ই শিশুর খাওয়ার পরিমাণ নিয়ে সন্তুষ্ট নন। মনে রাখবেন আপনার শিশুর ক্ষুধা পেলে সে অবশ্যই আপনাকে জানান দেবে। ক্ষুধার্ত শিশুকে খাওয়ার প্রতি অনীহা, বিতৃষ্ণা এবং ভীতির সৃষ্টি করাবেন না। অনেকেই কান্নারত শিশুর মুখে খাবার তুলে দেন। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। শ্বাসনালিতে খাবার আটকে মারাত্মক জটিল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় শিশুর ছয় ও তার অধিকবার প্রস্রাব হলে বুঝবেন আপনার শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ পাচ্ছে। নিয়মিত ওজন করে গ্রোথ চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই বুঝবেন আপনার শিশুর বৃদ্ধি ঠিক আছে কিনা। ছয় মাস বয়স থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি যে খাবার খাওয়াবেন সে ব্যাপারে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। নরম সবজি খিচুড়ি এ সময়ের জন্য আদর্শ। ধীরে ধীরে অন্যান্য খাবারেও অভ্যস্ত করে তুলুন। তবে কতটুকু খাবে তা সম্পূর্ণ ছেড়ে দিন শিশুর সিদ্ধান্তের ওপরই।

কিছু টিপস

শিশু বসতে শেখার পরপরই তাকে নিজে নিজে খাবার খেতে অভ্যস্ত করে তুলুন। বিভিন্ন খাবারের রং, ধরন, গন্ধ শেখার পাশাপাশি হরেক রকম খাবার ধরতে ও খেতে শেখার মাধ্যমে শিশু খাবারের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে। শিশুকে কখনও জোর করে কিংবা বকা দিয়ে বা মারধর করে খাওয়ানো যাবে না। উৎসাহ দিয়ে, প্রশংসা করে শিশুকে খাওয়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোনো কোনো সময় শিশুর বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমে আসে, অথবা শিশু মাঝেমধ্যে খেলাধুলা কমিয়ে দেয়। সে সময় শিশুর খাবারের চাহিদাও কমে আসে। শিশুকে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের মূল খাবারের মাঝে দু’বার হালকা নাস্তা দেয়া প্রয়োজন। লক্ষ রাখতে হবে, নাস্তা যেন খুব ভারি না হয়। মূল খাবারের কাছাকাছি সময়ে যেন শিশুকে নাস্তা দেয়া না হয়। ভারি নাস্তা বা মূল খাবারের অল্প আগে কোনো খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শিশুর ক্ষুধাভাব কমে যাবে।

অনেক ক্ষেত্রেই অভিভাবক একই পরিমাণ নাস্তা ও মূল খাবার শিশুকে দিয়ে থাকেন। যা শিশুর শরীরে ক্ষুধামন্দা তৈরি করে। নাস্তার পরিমাণ কম ও মূল খাবারের পরিমাণ বেশি দেয়া কর্তব্য। শিশুর পছন্দকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি তার খাবারে বৈচিত্র্য আনতে হবে। যেমন- শিশুকে বলা যেতে পারে, ‘আপেল নাকি আম কোনটা খেতে চাও?’ শিশুকে ফলের রস বা জুস না খাইয়ে আস্ত ফল খাওয়ান। খুব বেশি পরিমাণে তরল খাওয়ালে শিশুর পেট ভরে যাবে। তবে পুষ্টির চাহিদাতে ঘাটতি দেখা দেবে।

হরলিক্স এর উপকারিতা 

আপনার ও আপনার অনাগত শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। আর ১৯টি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ মাদারস হরলিক্‌স এ আছে কোলিন যা গর্ভাবস্থায় শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে এবং প্রোটিন যা বাচ্চার জন্মকালীন ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই প্রেগন্যান্সির শুরু থেকেই যত্ন নিতে নিয়মিত নিন মাদারস হরলিক্‌স। ভালবাসা আর পুষ্টি শুরু থেকেই। হরলিকসের উপকার/অপকার নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। হরলিকসের বোতলের গায়ে লাগানো লেভেলের ভাষা অনুযায়ী এর উপাদানগুলো হচ্ছে মল্টেড বার্লি, গমের দানা, শুকনো skimmed দুধ, ঘোল, চিনি আর ভেজিটেবল ফ্যাট। বার্লিতে গুটেন কম থাকে।তাই বার্লি থেকে রূটি,কিংবা পাউরূটি ও বানানো যায় না। পশু খাদ্য হিসেবেই বার্লি ব্যাপক ব্যবহৃত হয়। এই বার্লিকে গ্যাজিয়ে শুকানো হয়। ঐ শুকনো বার্লির দানাকে গুঁড়ো করে ছেকে নেওয়া হয়। তার সাথে মেশানো হয় ভেজিটেবল ফ্যাট, দুধ, চিনি আর খনিজ লবণ। এই মিশ্রণকে শুকিয়ে নিলেই তৈরি হরলিকস। আপনি যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান তাহলে হরলিকস জাতীয় খাবারের কোন প্রয়োজন নেই। বেশি করে দুধ, ডিম শাক, সব্জি আর দেশি ফল খান, প্রচুর পানি পান করুন।

শেষ কথা 

হরলিক্স একটি অত্যন্ত পুস্তিকপির একটি পানীয়। বড়ো ছোট প্রায় সবারই প্রিয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের তো অনেকটাই প্রিয় এই হরলিক্স। আপনারা সঠিক পরিমানে হরলিক্স খান বা বাচ্চাদের খাওয়ান।  তবে এখন সব বয়সের মানুষদের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে হরলিক্স পাওয়া যায়। একটু দোকানে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেই বলে দেবে যে কোন কোন হরলিক্স কারা কারা খেতে পারবেন।  হরলিক্স খান ও সুস্থ থাকুন। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

লেখক – শান্তনু পাল 


Comments are closed.