অল্ট এয়ার : কলকাতার প্রথম বুটিক হোটেল।

কলকাতার সবথেকে ব্যাস্ত বাণিজ্যিক এলাকা সল্টলেকের চারিদিকে ভর্তি সমস্ত অফিস ও ধোপদুরস্ত বিল্ডিং যা রোজকার জীবন যাত্রায় আমাদের কর্মসংস্থান দেয়। ১৯ নম্বরের নিচ থেকে শুরু করে ১ নম্বর অব্দি ভর্তি সমস্ত অফিস যেখানে সর্বক্ষণ রাট দিন হয়ে চলেছে নানান ধরনের  কাজ,বিভিন্ন শিল্পএর সাথে যুক্ত নানা অফিস, তার সাথে নানা নিউজ চ্যানেল, বিভিন্ন মার্কেটিং অফিস আর সেখান কার সমস্ত কর্মচারীরা এক অদ্ভুত ব্যস্ততা সম্পন্ন ছন্দে কাজ করে চলেছে। বিল্ডিংটির এক তলা থেকে ১৯ তলা অব্দি একটি ব্যস্ত দিন, আর ঠিক ১৯ নম্বর তলা থেকে এক্কেবারে আলাদা জিনিস। এখানে সময় অনেক ধীর স্থির গতিতে এগোচ্ছে, অনেক শান্তি পূরণ ভাবে। এই ১৯ তলার ওপরে রয়েছে এক অসাম্য সুন্দর পুল যেখান থেকে দেখা যাচ্ছে সারা শহরের এই ব্যস্ততা। আজ্ঞে হ্যাঁ অল্ট এয়ার, শহরের সৌন্দর্যে নতুন সংযোজন।

নিউ টাউন এলাকায় কাফেলা হোটেল হর্ষ নেওটিয়া শিল্পগুনের আর এক উদাহরণ। শহরে আসা ব্যবসায়ীদের জন্য শেষ কথা. এখানে শহরে কর্মসূত্রে আসা মানুষ উঠতে পারবে। কাজের জন্য এখানে সুযোগ কনফারেন্স রাম, ৩ টি আলাদা রকমের মিটিং রাম, এছাড়াও জাকুজি, স্পা, লঞ্জ ইত্যাদি আরো নানান সুন্দর ব্যবস্থা আছে।  যা এখানে থাকা মানুষকে দেবে সেই সমস্ত সুবিধে, যাতে সারাদিনের ক্লান্তিকর কাজের পর একটা মনোরম সন্ধ্যা কাটাতে পারেন।  এই গোটা প্রপার্টিতে ২৩ টি এমন বিলাস বহুল ভিলা তৈরী করা হয়েছে, যেগুলি দেখলে এর মালিকের শিল্প ও সংস্কৃতির সুক্ষ করে আর বলে দিতে হবেনা।

কর্পোরেট পার্ক অম্বুজা নিওটিয়া ইকো কনেন্টের উপরে দুটি মেঝেতে অবস্থিত, ২3 টি গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তির স্বাদে সজ্জিত, শিল্প ও ডিজাইনের মালিক Harshvardhan Neotia এর চরিত্রের অনুমোদন। ব্যবসায়ে নগরগুলি ভ্রমণ করে করপোরেটগুলি একটি ব্যবসা ভ্রমণকারী-একটি কনফারেন্স রুম, তিনটি বিচ্ছিন্ন মিটিং এলাকা, একটি জিম, জাকুজি এবং এল্লা স্পা ও স্যালোন, যা উপযুক্ত চিকিত্সা হিসাবে সুবিধা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া সম্পত্তি নিয়ে যাবে স্বাক্ষর নিরবধি শারীরিক ম্যাসেজ, একটি এনটাইটেলেড অফিসে খুব দীর্ঘ বসতে থেকে উত্পাদিত নট আউট টিজিং জন্য আদর্শ।

এক একটি অংশে কলকাতার এক এক সময়কার সাদা কালো ছবি, ভারত বর্ষের প্রথম চলচিত্র, সত্যজিৎ রায়ের নানান সুন্দর ছবি।  এছাড়াও সন্ধ্যে বেলা এই হোটেলটি যেন হয়ে ওঠে আকাশের এই জাজ্বল্যমান একটি অংশ, এখানকার বার টি শহরের রাতের ওপেন এয়ার বারের মধ্যে একটি। এছাড়াও এখানে সারাদিন খাবার ব্যবসা থাকে, আছে লাঞ্চ বুফের ব্যবস্থা; যেখানে আপনি পেতে পারেন নানা বিদেশ খাবারে সাথে সাথে শহরের প্রিয় মাছের ঝোল ও। রাতের আকাশের তলায় বসে আপনার পানীয়ের চুমুকের সাথে আপনাকে একটি ম্যাজিকাল অনুভূতি দিতে বাধ্য এই হোটেল।

ছবি সৌজন্যে – www.cntraveller.in & google


Comments are closed.